প্রজন্ম চত্তর থেকে উনিশশো একাত্তর
মা, তোমার কিশোরী কন্যাটি আজ নিরুদ্দেশমা, আমারও পিঠোপিঠি ছোট ভাইটি নেইনভেম্বরে দারুণ দুর্দিনে তাকে শেষ দেখিঘোর অন্ধকারে একা ছুটে গেল রাইফেল উদ্যত।এখন জয়ের দিন, এখন
মা, তোমার কিশোরী কন্যাটি আজ নিরুদ্দেশমা, আমারও পিঠোপিঠি ছোট ভাইটি নেইনভেম্বরে দারুণ দুর্দিনে তাকে শেষ দেখিঘোর অন্ধকারে একা ছুটে গেল রাইফেল উদ্যত।এখন জয়ের দিন, এখন
আমি কী রকম ভাবে বেঁচে আছি তুই এসে দেখে যা নিখিলেশএই কি মানুষজন্ম ? নাকি শেষপুরোহিত-কঙ্কালের পাশা খেলা ! প্রতি সন্ধেবেলাআমার বুকের মধ্যে হাওয়া ঘুরে
শিউলি ফুলের রাশি শিশিরের আঘাতও সয় নাঅন্তর আমার কৈশোরে তারা এ-রকমই ছিলএখন শিউলি ফুলের খবরও রাখি না অবশ্যজানি না, তারা স্বভাব বদলেছে কিনা।আমার কৈশোরে শিউলির
পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিলআমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছিএই আক্ষরিক সত্যের কছে যুক্তি মূর্ছা যায়।শিহরিত নির্জনতার মধ্যে বুক টন্টন করে ওঠেহাল্কা মেঘের উপচ্ছায়ায় একটি ম্লান দিনসবুজকে
চাঁদের নীলাভ রং, ওইখানে লেগে আছে নীরার বিষাদও এমন কিছু নয়, ফুঁ দিলেই চাঁদ উড়ে যাবেযে রকম সমুদ্রের মৌসুমিতা, যে রকমপ্রবাসের চিঠিঅরণ্যের এক প্রান্তে হাত
চিত্ত উতলা দশদিকে মেলা সহস্র চোখআমাকে এবার ফিরিয়ে নেবার জন্য এসেছে?আর দুটো দিন করুণ রঙিনপথ ঘুরে দেখাহবে না আমার? পুরোনো জামার ছিঁড়েছে বোতাম?তমসার তীরে নগ্ন
জাগরণ হেমবর্ণ, তুমি ওকে সন্ধ্যায় জাগাওআরও কাছে যাওও কেন হিংসার মতো শুয়ে আছে যাখন পৃথিবী খুবশৈশবের মতো প্রিয় হলোজল কনা- মেশা হওয়া এখন এ আশ্বিনের
যা চেয়েছি, যা পাবো না-কী চাও আমার কাছে ?-কিছু তো চাইনি আমি ।-চাওনি তা ঠিক । তবু কেনএমন ঝড়ের মতো ডাক দাও ?-জানি না ।
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog