আমি কেউ নই, আমি শরীরেরভেতরে শরীরগাছের ভেতরে গাছ,এই অনন্ত দিনরাত্রির মধ্যে একটি বুদ্বুদ;আমি মানুষের মতো কিন্তু মানুষ নইশুধু মুখচ্ছবিমানুষের একটি আদলছঅয়ার মানুষ;আমি কেউ নই, কোননোকিছু
আজ আর কীভাবে তোদের কাতর মুখের দিকেচেয়ে বলিকোথাও তোদের জন্য একখণ্ডজমি যদি নাও থাকেতবুও আছে তোদের পিতার এই বুক,যে-কোনো সবুজ জমির চেয়ে স্নেহচ্ছায়াময়,অধিক সবুজ;যে-কোনো নদীর
তোমাকে লিখবো বলে একখানি চিঠিকতোবার দ্বারস্ত হয়েছি আমিগীতিকবিতার,কতোদিন মুখস্ত করেছি এই নদীর কল্লোলকান পেতে শুনেছি ঝর্ণার গান,বনে বনে ঘুরে আহরণ করেছি পাখির শিস্তউদ্ভিদের কাছে নিয়েছি
শুধাই বৃক্ষের কাছে, ‘বলো বৃক্ষ, কীভাবেচলতে হয় কঠিন সংসারে? তুমি তো দেখেছোএই পৃথিবীতে অনেক জীবন;বৃক্ষ বলে, শোনো, এই সহিষ্ণুতাই জীবন’।বলি আমি উদ্দাম নদীকে, বলো, পুণ্যতোয়া
কবির কী চাওয়ার আছে এই রুক্ষমরুর নিকটকী আছে চাওয়ার তার অস্ত্র আর বারুদের কাছে।নেকড়ের চোখের মতো হিংসা ও লোভেরকাছে কী তার চাওয়ার থাকতে পারে,বলো, নিষ্পত্র
তোমাদের সাথে কথা হয়েছিলো কচি লাউপাতা,ঘাসফুল, ভোরের শিশিরবর্ষার স্রোতের ঘূর্ণি, ফুলজোড় নদী,রাতজাগা চাঁদ, শ্রাবণের উদাস আকাশদুকূল ছাপানো জল, ঘন মেঘ, বর্ষনের রাতকথা হয়েছিলেঅ আমি তোমাদের
কী এমন হয়, কোথায় কী এমন ওলটপালট হয়ে যায়একবার আমাকে বললে-ভালোবাসি;কেবল একটিবার সমস্ত জড়তা, লজ্জা ঝেড়ে ফেলে দিয়েদুকূল ছাপানো বর্ষার নদীর মতোউচ্ছল ঝর্নার মতোসব সঙ্কোচ
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog