মধুপুরে

মনটা ভীষণ উড়ু উড়ু, আমি যেনউড়ো পাতা,ঝাউবনের কান্না শুনি বুকের মধ্যেসারা দুপুর-উড়তে উড়তে কোথায় যাবো, ঠিকানা ঠিককোথায় পাবোনাকি শেষে হারিয়ে যাবো,এই আমি এই উড়ো পাতা,

বিস্তারিত

আমি কেউ নই

আমি কেউ নই, আমি শরীরেরভেতরে শরীরগাছের ভেতরে গাছ,এই অনন্ত দিনরাত্রির মধ্যে একটি বুদ্বুদ;আমি মানুষের মতো কিন্তু মানুষ নইশুধু মুখচ্ছবিমানুষের একটি আদলছঅয়ার মানুষ;আমি কেউ নই, কোননোকিছু

বিস্তারিত

কীভাবে তোদের বলি

আজ আর কীভাবে তোদের কাতর মুখের দিকেচেয়ে বলিকোথাও তোদের জন্য একখণ্ডজমি যদি নাও থাকেতবুও আছে তোদের পিতার এই বুক,যে-কোনো সবুজ জমির চেয়ে স্নেহচ্ছায়াময়,অধিক সবুজ;যে-কোনো নদীর

বিস্তারিত

তোমাকে লিখবো বলে একখানি চিঠি

তোমাকে লিখবো বলে একখানি চিঠিকতোবার দ্বারস্ত হয়েছি আমিগীতিকবিতার,কতোদিন মুখস্ত করেছি এই নদীর কল্লোলকান পেতে শুনেছি ঝর্ণার গান,বনে বনে ঘুরে আহরণ করেছি পাখির শিস্তউদ্ভিদের কাছে নিয়েছি

বিস্তারিত

কবিত্ব

ঝর্নাকে আমি কখনো থামতে দেখি নানদীকে দেখি না,বৃক্ষকে কখনো আমি নিঃশেষিত হতেমোটেও দেখি না;আকাশকে কখনো দেখি না আমি শেষ হয়ে যেতেসমুদ্রকে ফুরিয়ে যেতে কখনো দেখি

বিস্তারিত

জীবনের পাঠ

শুধাই বৃক্ষের কাছে, ‘বলো বৃক্ষ, কীভাবেচলতে হয় কঠিন সংসারে? তুমি তো দেখেছোএই পৃথিবীতে অনেক জীবন;বৃক্ষ বলে, শোনো, এই সহিষ্ণুতাই জীবন’।বলি আমি উদ্দাম নদীকে, বলো, পুণ্যতোয়া

বিস্তারিত

কবির কী চাওয়ার আছে

কবির কী চাওয়ার আছে এই রুক্ষমরুর নিকটকী আছে চাওয়ার তার অস্ত্র আর বারুদের কাছে।নেকড়ের চোখের মতো হিংসা ও লোভেরকাছে কী তার চাওয়ার থাকতে পারে,বলো, নিষ্পত্র

বিস্তারিত

দেখতে চাই

আমাকে দেখাও তুমি দূরের আকাশ, ওইদূরের পৃথিবীআমি তো দেখতে চাই কাছের জীবন;তুমি আমাকে দেখাতে চাও দূর নীহারিকাসমুদ্র-সৈকতবিসতৃত দিগন্তরেখা, দূরের পাহাড়তুমি চাও আরো দূরে, দূর দেশেআমাকে

বিস্তারিত

আমি কথা রাখতে পারিনি

তোমাদের সাথে কথা হয়েছিলো কচি লাউপাতা,ঘাসফুল, ভোরের শিশিরবর্ষার স্রোতের ঘূর্ণি, ফুলজোড় নদী,রাতজাগা চাঁদ, শ্রাবণের উদাস আকাশদুকূল ছাপানো জল, ঘন মেঘ, বর্ষনের রাতকথা হয়েছিলেঅ আমি তোমাদের

বিস্তারিত

একবার সেই দৈববাণী হোক

কী এমন হয়, কোথায় কী এমন ওলটপালট হয়ে যায়একবার আমাকে বললে-ভালোবাসি;কেবল একটিবার সমস্ত জড়তা, লজ্জা ঝেড়ে ফেলে দিয়েদুকূল ছাপানো বর্ষার নদীর মতোউচ্ছল ঝর্নার মতোসব সঙ্কোচ

বিস্তারিত