দিনরাত

দিনরাত মৃত্যু চলে সন্তান অবধি। দেখা তো হয়েছে ক্রূর যমের সহিত,তাকে বলা গেছে, আমি একাকীই যাবো।গঙ্গার তরঙ্গভঙ্গে নিভে যাবে আলো,আমি যাবো, সঙ্গে নিয়ে যাবো না

বিস্তারিত

বিবাদ

ভালোবাসা নিয়ে কত বিবাদ করেছো! এখন, টেবিল জোড়া নিবন্ত লণ্ঠনওসহনীয়।অনুভূতি। সবজির মতনবিকোয় না হাটে।হাত কাটে,না রক্ত পড়ে না।বিভীষিকা!দুচোখের পক্ষেও নড়ে না।প্রজড় পিণ্ডের মতো আছো–আজইবিবাদ করেছো।ভালোবাসা

বিস্তারিত

কঠিন অনুভব

চারধারে তার উপঢৌকন, কিন্তু আছে স্থির,দুহাত মুঠিবদ্ধ কিন্তু ভিতরে অস্থির।কেউ তাকে দ্যাখেনি হতে, উচিত ভেবে সবফিরিয়ে দিল, তার ছিলো এক কঠিন অনুভব।

বিস্তারিত

সুখে থাকো

চক্রাকারে বসেছি পাঁচজনেমাঠে, পিছনের পর্চে আলোঅন্ধকার সন্ধ্যা নামে বিড়ালের মতো ধীর পায়েতুমি এসে বসেছো আসনে অকস্মাৎ।হঠাৎই পথে ঘুরতে-ঘুরতে কীভাবে এসেছোএকেবারে পাশে,তোমার গায়ের গন্ধ নাকে এসে

বিস্তারিত

ছড়ার আমি ছড়ার তুমি

ছড়া এক্কে ছড়া, ছড়া দুগুণে দুইছড়ার বুকের মদ্দিখানে পান্‌সি পেতে শুই।ধানের ছড়া গানের ছড়া ছড়ার শতেক ভাইছড়ার রাজা রবিন ঠাকুর, আর রাজা মিঠাই।আরেক রাজা রায়

বিস্তারিত

আমি একা, বড়ো একা

চন্দনের ধূপ আমি কবে পুড়িয়েছিমনে নেই। মন আর স্মৃতিগুলি ধরে না আদরে।সংশ্লিষ্ট চন্দন এই অবহেলা সহ্য করে গেছে।কখনো বলেনি কিছু, বলেনি বলেই পরিত্রাণপেয়েছে সহজে, নয়তো

বিস্তারিত

পোড়ামাটি

দূরে যাওথেকো না এখানেচিরদিন উড়ন্ত শাম্পানেছন্নছাড়াচিঠি তো পুড়েছে একতাড়াআগুনে পুড়েছে শত পাড়া দূরে যাওথেকো না এখানেদূরে যাওথেকো না এখানেকাকে পাও?

বিস্তারিত

বাগানে তার ফুল ফুটেছে

ওইখানে ওই বাগানে তার ফুল ফুটেছে কতোজানতে পারি, ওর মধ্যে কি একটি দেবার মতো?একটি কিম্বা দুটির ইচ্ছে আসতে আমার কাছেতাহার পদলেহন করতে সমস্ত ফুল আছে।সব

বিস্তারিত

সেই হাত

অভিনব দুটি হাতে দেয়াল দরোজা খুলে দাও।ততক্ষণে রোদ্দুর পৌচেছেগোটারাত ঘুরে ঘুরে রোদ্দুর পৌঁচেছেঘরে।কিছুটা নড়বড়েছিলো ঘর।এককোণে পাথরতেমন সন্তুষ্ট নয়, ‘দখল দখল শব্দ করে।দাবি তার ঘরটি ভরাবেমানুষের

বিস্তারিত

জন্মদিনে

জন্মদিনে কিছু ফুল পাওয়া গিয়েছিলো।অসম্ভব খুশি হাসি গানের ভিতরেএকটি বিড়াল একা বাহান্নটি থাবা গুনে গুনেউঠে গেলো সিঁড়ির উপরেলোহার ঘোরানো সিঁড়ি, সিঁড়ির উপরেসবার অলক্ষ্যে কালো সিঁড়ির

বিস্তারিত