কবিতা –

আমি তোমাকে এত বেশি স্বপ্নে দেখেছি যে তুমিতোমার বাস্তবতা হারিয়ে ফেলেছোএখনো কি সময় আছে তোমার জীবন্ত শরীর স্পর্শ করারএবং যে ওষ্ঠ থেকে আমার অতি প্রিয়

বিস্তারিত

সেদিন বিকেলবেলা

সাতশো একান্নতম আনন্দটি পেয়েছি সেদিনযখন বিকেলবেলা মেঘ এসেঝুঁকে পড়েছিলগোলাপ বাগানেএবং তোমার পায়ে ফুটে গেল লক্ষ্মীছাড়া কাঁটা!তখন বাতাসে ছিল বিহ্‌বলতা, তখন আকাশেছিল কৃষ্ণক্লান্তি আলো,ছিল না রঙের

বিস্তারিত

উত্তরাধিকার

নবীন কিশোর, তোমায় দিলাম ভূবনডাঙার মেঘলা আকাশতোমাকে দিলাম বোতামবিহীন ছেঁড়া শার্ট আর. ফুসফুস-ভরা হাসিদুপুর রৌদ্রে পায়ে পায়ে ঘোরা, রাত্রির মাঠে চিৎ হ’য়ে শুয়ে থাকাএসব এখন

বিস্তারিত

কথা আছে

বহুক্ষণ মুখোমুখি চুপচাপ, একবার চোখ তুলে সেতুআবার আলাদা দৃষ্টি,টেবিলে রয়েছে শুয়েপুরোনো পত্রিকাপ্যান্টের নিচে চটি,ওপাশে শাড়ির পাড়ে দুটি পা-ই ঢাকাএপাশে বোতাম খোলা বুক, একদিন না-কামানো দাড়িওপাশে

বিস্তারিত

একটি কথা

একটি কথা বাকি রইলো থেকেই যাবেমন ভোলালো ছদ্মবেশী মায়াআর একটু দূর গেলেই ছিল স্বর্গ নদীদূরের মধ্যে দূরত্ব বোধ কে সরাবে।ফিরে আসার আগেই পেল খুব পিপাশাবালির

বিস্তারিত

দাঁড়িয়ে রয়েছ তুমি

দাঁড়িয়ে রয়েছ তুমি বারান্দায়অহঙ্কার তোমাকে মানায় নাতুমি যে-কোনো নারীযে-কোন বারান্দা থেকেসন্ধ্যার শিয়রেমাথা রেখে আছো? তুমি তো আমারই শুধু ,দূর থেকে দেখাশুকনো চুল, ভিজে মুখ, করতলে

বিস্তারিত

যদি নির্বাসন দাও

যদি নির্বাসন দাও, আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরী ছোঁয়াবোআমি বিষপান করে মরে যাবো ।বিষন্ন আলোয় এই বাংলাদেশনদীর শিয়রে ঝুঁকে পড়া মেঘপ্রান্তরে দিগন্ত নির্নিমেষ-এ আমারই সাড়ে তিন হাত

বিস্তারিত

চোখ ঢেকে

যে যেমন জীবন কাটায়তার ঠিক সেই রকম এক-একটি পোশাক রয়েছেআলো ও হাওয়ার মধ্যে লুটোপুটি খেয়ে কে যেআনন্দ-ভিখারীউড়ুনি ভিজিয়ে সেও বিধধংসী নদীর থেকেশান্তি চেয়েছিলসহসা বিদ্যুত-স্পর্শে চোখ

বিস্তারিত

নীরার অসুখ

নীরার অসুখ হলে কলকাতার সবাই বড় দুঃখে থাকেসূর্য নিভে গেলে পর, নিয়নেরবাতিগুলি হঠাৎ জ্বলার আগে জেনে নেয়-নীরা আজ ভালো আছে? গীর্জার বয়স্ক ঘড়ি, দোকানের রক্তিম

বিস্তারিত

তুমি

আমার যৌবনে তুমি স্পর্ধা এনে দিলেতোমার দু’চোখে তবু ভূরুতার হিম।রাত্রিময় আকাশের মিলনান্ত নীলেছোট এই পৃথিবীকে করোছো অসীম।বেদনা মাধুর্যে গড়া তোমার শরীরঅনুভবে মনে হয় এখনও চিনি

বিস্তারিত