সাতশো একান্নতম আনন্দটি পেয়েছি সেদিনযখন বিকেলবেলা মেঘ এসেঝুঁকে পড়েছিলগোলাপ বাগানেএবং তোমার পায়ে ফুটে গেল লক্ষ্মীছাড়া কাঁটা!তখন বাতাসে ছিল বিহ্বলতা, তখন আকাশেছিল কৃষ্ণক্লান্তি আলো,ছিল না রঙের
নবীন কিশোর, তোমায় দিলাম ভূবনডাঙার মেঘলা আকাশতোমাকে দিলাম বোতামবিহীন ছেঁড়া শার্ট আর. ফুসফুস-ভরা হাসিদুপুর রৌদ্রে পায়ে পায়ে ঘোরা, রাত্রির মাঠে চিৎ হ’য়ে শুয়ে থাকাএসব এখন
দাঁড়িয়ে রয়েছ তুমি বারান্দায়অহঙ্কার তোমাকে মানায় নাতুমি যে-কোনো নারীযে-কোন বারান্দা থেকেসন্ধ্যার শিয়রেমাথা রেখে আছো? তুমি তো আমারই শুধু ,দূর থেকে দেখাশুকনো চুল, ভিজে মুখ, করতলে
যদি নির্বাসন দাও, আমি ওষ্ঠে অঙ্গুরী ছোঁয়াবোআমি বিষপান করে মরে যাবো ।বিষন্ন আলোয় এই বাংলাদেশনদীর শিয়রে ঝুঁকে পড়া মেঘপ্রান্তরে দিগন্ত নির্নিমেষ-এ আমারই সাড়ে তিন হাত
নীরার অসুখ হলে কলকাতার সবাই বড় দুঃখে থাকেসূর্য নিভে গেলে পর, নিয়নেরবাতিগুলি হঠাৎ জ্বলার আগে জেনে নেয়-নীরা আজ ভালো আছে? গীর্জার বয়স্ক ঘড়ি, দোকানের রক্তিম
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog