সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে কেন হেসে উঠলে, সাক্ষী রইলো বন্ধু তিনজনসিঁড়িতে দাঁড়িয়ে কেন হেসে উঠলে, সাক্ষী রইলো বন্ধু তিনজনসিঁড়িতে দাঁড়িয়ে কেন হেসে উঠলে, নীরা, কেন হেসে উঠলে,
ভালোবাসার পাশেই একটা অসুখ শুয়ে আছেওকে আমি কেমন করে যেতে বলিও কি কোনো ভদ্রতা মানবে না?মাঝে মাঝেই চোখ কেড়ে নেয়,শিউরে ওঠে গাভালোবাসার পাশেই একটা অসুখ
বাস স্টপে দেখা হলো তিন মিনিট, অথচ তোমায় কাল স্বপ্নেবহুক্ষণ দেখেছি ছুরির মতো বিঁধে থাকতে সিন্ধুপারে–দিকচিহ্নহীন–বাহান্ন তীর্থের মতো এক শরীর, হাওয়ার ভিতরেতোমাকে দেখছি কাল স্বপ্নে,নীরা,
এই কবিতার জন্য আর কেউ নেই, শুধু তুমি, নীরাএ কবিতার মধ্যরাত্রে তোমার নিভৃত মুখ লক্ষ্য করেঘুমের ভিতরে তুমি আচমকা জেগে উঠে টিপয়েরথেকে জল খেতে গিয়ে
ঘুমন্ত নারীকে জাগাবার আগে আমি তাকে দেখিউদাসীন গ্রীবার ভঙ্গি, শ্লোকের মতন ভুরুঠোঁটে স্বপ্ন বিংবা অসমাপ্ত কথাএ যেন এক নারীর মধ্যে বহু নারী, বিংবাদর্পণের ঘরে বসচিবুকের
কতটুকু দূরত্ব? সহস্র আলোকবর্ষ চকিতে পার হয়েআমি তোমার সামনে এসে হাঁটু গেড়ে বসিতোমার নগ্ন কোমরের কাছে উষ্ণ নিশ্বাস ফেলার আগেঅলঙ্কৃত পাড় দিতে ঢাকা অদৃশ্য পায়ের
হাওড়া ব্রীজের রেলিং ধরে একটু ঝুঁকে দাঁড়িয়েছিলদ্বারভাঙা জেলা থেকে আসা টাট্কা রমনীব্রীজের অনেক নিচে জল, সেখানে কোনো ছায়া পড়ে নাকিন্তু বিশাল এক ভগবতী কুয়াশা কলকাতার
রাত্তির সাড়ে বারোটায় বৃষ্টি, দুপুরে অত্যন্ত শুক্নো এবং ঝক্ঝকেছিল পথ, মেঘ থেকে কাদা ঝরেছে, খুবই দুঃখিত মূর্তি একাহেঁটে যাচ্ছে রাস্তা দিয়ে, কালো ভিজে চুপচাপ দ্বিধায়ট্রাম
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog