ওরা ভস্মমুখ
ওরা ভস্মমুখ। ওরা নির্বাপিত। ওরাধূম্রনাসা কাঠ অনেক পাঁকের নীচে আধপোড়া কাঠ হয়ে ওরাপালিয়ে ঘুরেছে কতক্ষণ। এক একটি ক্ষণের সঙ্গে এক এক শতক পার হল এখন
ওরা ভস্মমুখ। ওরা নির্বাপিত। ওরাধূম্রনাসা কাঠ অনেক পাঁকের নীচে আধপোড়া কাঠ হয়ে ওরাপালিয়ে ঘুরেছে কতক্ষণ। এক একটি ক্ষণের সঙ্গে এক এক শতক পার হল এখন
এই শেষ পায়রা। এই শেষশান্তির পতাকা। ঘাড়ে পোঁতা। কিন্তু তারছুঁচালো লোহার দণ্ড ঘাড়ে ঢুকে থামে না–এগোয়।খোঁজে শিরদাঁড়া–ইলেকট্রোড।পায়। ছোঁয়। গর্ত করেআর দিন চলে যায় শতলক্ষ বছরের
নৌকো থেকে বৈঠা পড়ে যায়জলের তলায় কালো ছাইরঙা জল একবার ঢেউ দিয়ে অন্ধকার এখন কোথায় আছে সেই বৈঠাখানি? দুটো কৌতুহলী মাছ, দু’ খণ্ড পাথর, লক্কড়,
তুমি কি বিশ্বাসহন্তা? না, তুমি বিশ্বাসী? তোমার পিছনে ঘুরছে জাঁতা ও আগুনচক্রতোমার সম্মুখে উড়ছে সোনার পতঙ্গ আর ডানামেলা বাঁশি… মাঝখানে অশ্বত্থগাছ। মাঝখানে দড়ি আর ফাঁসি।
আমি তো আকাশসত্য গোপন রাখিনিখুলে দ্যাখো পাখির কঙ্কাল। নীচের প্রান্তরে উড়ত পাখি ও পাখিনীঅনেক উপরে ঢালু বাটির মতন শূন্য ধ’রেআমি তার ছায়াচিত্র তুলে রাখতাম। এ
জ্বলতে জ্বলতে পাখি পড়ছে জ্বলে ‘ছ্যাৎ’ আওয়াজে আমারঘুম ভাঙেকোটি কোটি যুগ পরেকারঘুম,যার মাথার ওপরেহা করা আকাশগর্ত, লৌহমেঘ, আরতার নিচে, ঘুরতে ঘুরতে, ক্রমশ তলিয়ে যাওয়া পৃথিবীর
আমার স্বপ্নের পর স্বপ্ন হল আরো বেলা যেতেআমাকে ধ্বংসের পর ধ্বংসক্ষেত্রে বর্ণনার শেষেশান্তি নেমে চলে গেল, মৃতদেহ টপকে টপকে, দূর তেপান্তরে…তার, গা থেকে স্ফুলিঙ্গ হয়ে
সমুদ্র? না প্রাচীন ময়াল? পৃথিবী বেষ্টন করেশুয়ে আছে।তার খোলা মুখের বিবরেঅন্ধকার। জলের গর্জন।ঐ পথেসমস্ত প্রাণীজগৎ নিজের অজান্তে গিয়ে ঢোকে তুমি ওই বনের সীমায়গাছে পিঠ রেখে
……………..তারাখণ্ড সমুদ্রে পড়েছে তার আগে আকাশে লম্বা আগুনের ল্যাজ–একপলক তার আগে ঝলকে সাদা গাছপালা ভূখণ্ড পাহাড়–একপলক উড়তে উড়তে ফ্রিজ করছে সরীসৃপ পাখি পৃথিবী ধ্বংসের ঠিক
সিদ্ধি, জবাকুসুম সংকাশমাথার পিছনে ফেটে পড়ে দপ করে জ্বলে পূর্বাকাশ(…?) মাথায় রক্ত চড়ে সিদ্ধি, মহাদ্যুতি–তার মুখেচূর্ণ হয় যশের হাড়মাস হোমাগ্নিপ্রণীত দুটি হাতআমাতে সংযুক্ত হয়, বলে:
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog