ওই যে বাড়ির তীরে কবর ওঠানো তার
ওই যে বাড়ির তীরে কবর ওঠানো তারছায়াচরে ঘুমে শুরু হই আমার অতীতকাল জলে ডাক দিলো: ‘ওরেলগ্নে লগ্নে ফেরী ছেড়ে যায়’ গৃহমুণ্ডে যে-বায়স নুড়িমুখে বসে তার‘কা’
ওই যে বাড়ির তীরে কবর ওঠানো তারছায়াচরে ঘুমে শুরু হই আমার অতীতকাল জলে ডাক দিলো: ‘ওরেলগ্নে লগ্নে ফেরী ছেড়ে যায়’ গৃহমুণ্ডে যে-বায়স নুড়িমুখে বসে তার‘কা’
আজ কী নিশ্চিত কী বিদ্যুৎ কী হরিণ এই দৌড়কী প্রান্তর, কী উড়ে যাওয়া ধুলো এই হাত কী ময়ূর এই নৃত্য কী কূপ কী বন্ধ কী
স্নান করে উঠে কতক্ষণঘাটে বসে আছে এক উন্মাদ মহিলা মন্দিরের পিছনে পুরনোবটগাছ। ঝুরি।ফাটধরা রোয়াকে কুকুর। অনেক বছর আগে রথের বিকেলেনৌকো থেকে ঝাঁপ দিয়ে আর ওঠেনি
কিন্তু আগুনের মধ্যে গিয়ে দাঁড়াবার কথাটা মনে থাকে যেন!মাটি ফেটে তলিয়ে যাবার কথাটা যেন মনে থাকে ভূমিকম্পের ফাটল থেকে হাত বেরিয়ে আসাআর মরুভূমিতে দাঁড়িয়ে, ডিঙি
পোকা উঠেছে। গাছের কাণ্ডের গায়ে পোকা।ধানবীজ হাতে ঢেলে ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দেখছে ধুতি ও ফতুয়াপরা চাষি হাবলা গোবলা ছেলে দৌড়ে নেমে আসছে ঢালু পিচরাস্তা থেকে
হৃদপিণ্ড–এক ঢিবি মাটিতার উপরে আছে খেলবারহাড়। পাশা। হাড়। হৃদপিণ্ড, মাটি এক ঢিবিতার উপরে শাবল কোদাল চালাবারঅধিকার, নিবি? চাবড়ায় চাবড়ায় উঠে আসামাটি মাংস মাটি মাংস মাটি–পাশা।
বাড়িটি আকাশে ফুটে আছে। ছাদে ওই বালকবালিকানীচে দড়ি ফেলে ধরছে খেয়ানৌকো চাঁদ। ক্রমশ গুটিয়ে তুলছে মেঘ থেকে আরো ঊর্ধ্বাকাশে যা–ওদের কাছে যাবি? বিদ্যুতের মতো নীল
ভাঙা বাড়ি। চারিদিকে ঘাস।এখানে কি কেউ বাস করে? জড়বুদ্ধি ক্রোধ, হাহাকারজমে জমে পিণ্ড হয় ঘরে বন্ধু না–বন্ধুর জ্যান্ত লাশহাত নাড়ে জানলার ভিতরে জানলার এপারে লম্বা
পশ্চিমে বাঁশবন। তার ধারে ধারে জল। বিকেল দাঁড়াল ধানক্ষেতে। জলে ভাঙা ভাঙা মেঘ। ফিরে আসছে মাছমারা বালকের দল।খালি গা, কোমরে গামছা, লম্বা ছিপ, ঝুড়ি–আবছা কোলাহল।
কূর্ম চলেছেন। তাঁর পিঠ থেকে হঠাৎপৃথিবী গড়িয়ে পড়ে যায় শূন্যে সে-গোলক ধরতে, ঘুম ভেঙে, শশক লাফায় আকাশ ঝকঝক করে ওঠেশ্বেতশুভ্র একটি উল্কায়
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog