আমলকীতলার নীচে মায়ের হাতের সাদা শাঁখাভেঙে পড়ে আছে–পাশে নতুন ইস্কুল বাড়ি ওঠে ঘাট থেকে বাড়ি ফিরছে শ্রাদ্ধের একান্নবর্তী দলপুরাতন স্বামীহারা বেড়া থেকে উঁকি দিয়ে দ্যাখেনতুন
আমাকে প্রত্যেকবার কেটেপশুরক্ত পাওয়া যাবে–পর্বতচূড়ায়পা থেকে আমার ধড় উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখলেইপাখিরা চিৎকার করবে–লাল হবে আকাশ সমুদ্রের জলেআমার মহিষমুণ্ড, বেঁকে যাওয়া শিঙদেখা দেবে সূর্যের বদলে!
অতীতের দিকে উঠে চলেযুদ্ধ শব, হাজার হাজার শিখরের উপরে তুষার তাদের পিছনে আলো জ্বেলেবসে আছে ছোট ছোট বাড়ি স্বামীপুত্র হারানো সংসার
ঘরে রাধাবিনোদ আকাশঝুলনের চাঁদটি মেঝেতে বিছানার পাশের লণ্ঠনতার শুধু চক্ষু দপ্দপ্ অমাবস্যা পূর্ণিমা সড়কফালাফালা ক’রে সারারাত সে খুঁজে বেড়াচ্ছে একফালিকবিতা লেখার যোগ্য শব!
মা এসে দাঁড়ায়জানালায় নিম্নে স্রোত, নদী জল থেকে লাফিয়ে উঠছে এক একটা আগুনজ্বলা সাপ আমি সে-নদীর থেকে তুলে নিতে আসিআমি শিকলবাঁধা বাঁশি আকাশের উঁচু জানলায়মা
আমলকীতলার গন্ধে সার বিষণ্ণতাবেতাল যে-গাছে থাকে সে-গাছের পাতাও নড়ে না আমলকীতলার গন্ধে শোকপোড়া আলোবেতাল আকাশপথে জোনাকি কুড়িয়ে হেরে ভূত মরা মুখ উঠে এল রাতের জানলার
রাস্তায় পড়েছে ব্রিজ–জল নেই–বালিরাস্তায় পড়েছে শুকনো ধুলো ও আগাছা ভরা বিরাট ইঁদারা শ্মশান? পড়েছে তাও–চিতায় চাদর ঢেকে শুনেছিল যারাতারা কাজে বেরিয়েছে প্রান্তরে, কামান গাড়ি ঠেলে
দুখানি জানুর মতো খোলাহাড়িকাঠমুখ রাখো তাতে চোখের পলক ফেলতে মাথা ছিঁটকে চলে যাবে সামনের মাঠে
ক্ষুধার শেষ ক্লান্তি, ক্ষার, ঘুমের শেষ জল–যুদ্ধ, শেষ-খেলা শেষরক্ত আকাশে পড়ে–রক্ত খেয়ে খেয়েসূর্য লাল ঢেলা গোলায় পোড়া শহর, গাছ, পতাকা দিয়ে ঢাকা–বিকেলবেলা কামানে নীল রঙ
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog