স্তুপের তলায় রাখো ঘাসলতাপাতা
স্তুপের তলায় রাখো ঘাসলতাপাতাএনেছি বলির পশু, ছাগ সে ভুলে গিয়েছে তার গত শিরচ্ছেদঅথচ গলায় তারএখনো মালার মতো দাগ
স্তুপের তলায় রাখো ঘাসলতাপাতাএনেছি বলির পশু, ছাগ সে ভুলে গিয়েছে তার গত শিরচ্ছেদঅথচ গলায় তারএখনো মালার মতো দাগ
শিরচ্ছেদ, এখানে, বিষয়।মাটি তাই নরম, কোপানো। সমস্ত প্রমাণ শুষছে ভয়কখনো বোলো না কাউকে কী জানো, বা, কতদূর জানো।
সমুদ্র তো বুড়ো হয়েছেনপিঠের ওপরে কতো ভারী দ্বীপ ও পাহাড় অভিযাত্রী, তোমার নৌকাইখেলনার প্রায় সংকোচ কোরো না তুমি, ওইটুকু ভারঅনায়াসে সমুদ্রকে দিয়ে দেওয়া যায়!
জল থেকে ডাঙায় উঠে ওরাপালিয়ে চলেছে আজীবনএক যুগ থেকে অন্য যুগে উড়ে আসে ক্ষেপনাস্ত্র, তীরছেলে বউ মেয়ে বুড়ো জননী ও শিশু কোলাহল দাউদাউ উদ্ধাস্তু শিবির
অন্ধকার আকাশবাতিএই সড়কে নয়ন ফাটল, খাদ, গর্ত–সবধসে পড়ার সুযোগ পার ক’রে আর মাটির ওপরফুটে বেরোনো দাঁত ব্যর্থ ক’রে, নিশিজাগর,জলের নীচে শয়ন! জলে তৈরী সড়ক, তাতেআকাশবাতি
আর কারো ময়ূর যাবে নাআমার সম্পূর্ণ খাতা–সাপ এবার যে ‘দ’ আকার বাজ পড়ে, তাতেসাপগুলো দগ্ধে পুড়ে ঝলসে এঁকেবেঁকেজীবন পেয়েছে ওদের আমি খালে বিলে পাহাড়ে জঙ্গলেছেড়ে
একটি শেষমুহূর্তের নারীসিন্ধুতটঅন্যটিতে আরম্ভের ডানা ছড়ানো ঈগল ছোঁ মেরে ওঠে আবার, তার নখে সরীসৃপপায়ের গোছে শিকল একটি শুভ আরম্ভের মাঙ্গলিক ঘটঘটের নীচে সাপের চোখ, মণি
নিজের ছেলেকে খুন ক’রেঐ দেখ, চলেছে অভাবী নিজের মেয়েকে বিক্রি ক’রেঐ ফিরে যাচ্ছেন জননী ওদের সঞ্চয় থেকে ফেরার রাস্তায় পড়ে যায়অশ্রুর বদলে বালি, পয়সা ও
হে অশ্ব, তোমার মুণ্ডটেবিলে স্থাপিত। রাত্রিবেলাহাঁ করা মুখ থেকেধোঁয়া ঝরে আর সে-ধোঁয়ার মধ্যে চতুষ্পদ কবন্ধ তোমারসারারাট ছুটোছুটি করে!
বাদুড় বৃষ্টির মধ্যে দেবদারু গাছ ছেড়ে যায় বাদুড় আমার রক্ত খেয়েআকাশে পালায় পালিয়ে বাঁচে না রাত্রে দেখা যায়বাদুড় চাঁদের মধ্যে হুমড়ি খেয়ে পড়েপেট থেকে রক্ত,
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog