শবগাছ, হাত-মেলা মানুষ
শবগাছ, হাত-মেলা মানুষ তার সামনে দিয়ে জলধারাচলে গেছে শেষ প্রান্তে, বহুদূর ভোরের ভিতরে স্বল্প আলোকিতমুখ গুহাটির গলা অব্দি জল…ওই পারে দিন এপারে সমাপ্তি কবি, যার
শবগাছ, হাত-মেলা মানুষ তার সামনে দিয়ে জলধারাচলে গেছে শেষ প্রান্তে, বহুদূর ভোরের ভিতরে স্বল্প আলোকিতমুখ গুহাটির গলা অব্দি জল…ওই পারে দিন এপারে সমাপ্তি কবি, যার
ছাদে জড়ভরত সন্তান। তার গলালম্বা হয়ে জল খেতে যায়দূরের পুকুরে রাস্তায়, বাদাড়ে নিশি থেকে থেকে ডাকে শেষরাত্রে, মেঘের আলপথেএকটি কঙ্কাল ফেরিওয়ালাহেঁকে যায়: চাই, দই চাই…
তমসা, আমার সীমা জল জলের উপরকার চরেএকদিন বসেছিল পৃথিবীর মতো ভারী পাখি ভূমিতলপিণ্ড তার চাপএতদিনে গলিয়ে দিয়েছে যা গলেনিভূমির সমান ভারী পাপ তার নীচে চাপা
শান্তি শান্তি শান্তি শান্তি যখন সোনালী পাগলিনীতীরে বসে বসে খায় সূর্যাস্ত একের পর একহা সমুদ্র জলরাশি শুকিয়ে রক্তাভ বালিখাতপিছনে শহর মরা ইটকাঠ ইটকাঠ স্তূপভোর দ্বিপ্রহর
হিংসার উপরে কালো ঘাসনীচে হাড়, মাটি জমা খুলি কারোর জানার কথা নয় মালসার মতো গোল পৃথিবী মুখের কাছে ধ’রেভেতরের হাড় মাটি কয়লা তেল লোহাফেলে দিয়ে,
আমার মায়ের নাম বাঁকাশশী, আমার শ্যামের নাম ছায়াআমার তরঙ্গ মানে খোলা বাড়ি–ছাদ থেকে যারনীচে পড়ে হানাহানি খেলা– আমার সম্পূর্ণ ভুল চারত আকাশ খুঁড়লে বালিআমার বাবার
কাঠের ছাগল আর কাঠের মহিষ–জ্যান্ত হল।খটখট লাফাঝাঁপি, খাট ও টেবিল ঘিরে বাঁধ–মুখ নিচু ক’রে ওরা মেঝেতে স্ফুলিঙ্গ পান করে পা নামাই খাট থেকে–মোজাইকে সূর্য দেখা
স্বপ্নে মরা ময়ূর, তারগায়ে চাঁদের আলো কার্নিশের ফণীমনসাছাদের কোণে ঘর কাঁটায় বেঁধা কতকালেরশুকোনো সব পাখি ওদের গলায় ফিসফিসোয়বাতাস, ডাক, স্বর মরা ময়ূর দাঁড়িয়ে–গায়েফুটফুট জোনাকি শিকল
মার? সে তো জানলার ওপারে এসে বসে।হাত ভাণ্ড। চুমুক দিতেইতার স্বচ্ছ গলা দিয়ে নামেগলে যাওয়া নীহারিকা, চ্যাপ্টা সূর্য, বিন্দু বিন্দু চাঁদ–তার শিরা উপশিরা বেয়েবইতে থাকে
কী দুর্গম চাঁদ তোর নৌকার কিনারে গেঁথে আছে!অন্যদিকে কী সুন্দর মাঝি!যার মুখ কঙ্কালের, যার বাহু জং-ধরা লোহার। বল্, তোর মাঝিকে বল্, শুরু করতে লৌহের প্রহার।অত
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog