গাছের জন্মান্ধ
গাছের জন্মান্ধ।দীপ, জন্ম থেকে গাছ। দীপজন্মে যাই আমি–চোখ বাঁধা–মাথায় শিখার তীব্র নাচ।
গাছের জন্মান্ধ।দীপ, জন্ম থেকে গাছ। দীপজন্মে যাই আমি–চোখ বাঁধা–মাথায় শিখার তীব্র নাচ।
তোমাকে কাদার মধ্যে কাদাপাখি মনে করলাম।মাছ খুঁজছ? লম্বা সরু ঠোঁট দিয়ে আমারখাবার জোগাড় করছ বুঝি? ওগো ও জননী পাখি, আমি স্বপ্নে ডাকিতোমার মা নাম তোমার
প্রেতের মিলননারী নেই।সে তাই চন্দ্র ও সূর্য দুটি হাত রেখেক্রিয়াশীল আগ্নেয়গিরিকে ভেদ করেপৃথিবীর সঙ্গে মিলতে চায়– জিহ্বাহীন মুখ থেকে অতৃপ্ত রমণশব্দমেঘ ফেটে গেলে–শোনা যায়।
তোমার পুরুষমুখে কাঁধ অবধি ঢুকিয়ে ছিলামএখন আঙরা-কালো কাঠকয়লা থেকেবাষ্প উড়ছে। সবদিকে মাথা দিয়ে ঢুঁসো মারি,বাতাসের অদৃশ্য দেওয়াল ফেটে ফেটেগলগল আগুন ওঠে।ও নিয়তিপুরুষ, এরপরঅর্ধেক সিংহের রূপে
বালি খোঁড়ে আমার বৃশ্চিক–রৌদ্রে তার অসুবিধা হয়। হাওয়ার, লোকের চাপে, বালি সরলেসে বেরিয়ে আসে। কাঁপাকাঁপা পায়েতটের পাথর খুঁজে তার নীচে সুড়ঙ্গ বানায় শুধু রাত্রিবেলা তার
মাঠে বসে আছে জরদ্গব।মাথায় পাহাড়।সামনের থালায় মাটি। তৃণ। সে খায়, থালায় গর্ত খুঁড়ে–দইয়ের ভাঁড়ের মতো কেটে কেটে নামে–আর ক্ষিদে শেষ হয় না–খনিজ সম্পদকমে আসে, আরো
অন্ধ চলেছেন। খঞ্জ, চলেছেন। লাঠিপুরনো বন্ধুর মতো চলেছে তাঁদের সঙ্গে।হাত কাটা। ন্যাড়া মাথা। ঘেয়ো।অষ্টাবক্র। ব্যান্ডেজ জড়ানোচাকাঅলা কাঠের বাক্সের মধ্যে বসা–সকলকে নিয়ে এই ধীরগতি মিছিলও চলেছেঅতিকায়
রেণু মা, আমার ঘরে তক্ষক ঢুকেছেতক্-খো, তক্-খো–তার ডাক রেনু মা, সংকেতগাছ দূরে দাঁড়িয়েছেজ্যোৎস্না লেগে পুড়ে গেছে কাক আমি সে-গাছের ডালে, দড়ি ভেবে, সর্প ধরে উঠিসর্প
ওই কালস্রোত। আমিসিমেন্ট বাঁধানো পাড় থেকেহাত ডোবাই। আমার আঙুল গলে যায়। কব্জি, বাহুগলে যায়। ঘাড়ের উপরে মুণ্ডু নিয়েআমি হাত-পা-কাটে জগন্নাথনদী-নালা আঁকা এক ঘুরন্ত বলের পিঠেবসে
তাত লেগে চোখ খুলল। বালিস্তর ঠেলেবেরিয়ে এলাম। পাহাড় তুষারহীনগাছেরা দণ্ডায়মান কাঠজনপদ লোহা ইট কংক্রিটের কালো স্তূপ মাটি ফ্যাকাসে হলদেটে সূর্য বিরাট চাকার মতো ছড়িয়ে রয়েছে৭০০
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog