এই কবিতাটি কোথায় পেয়েছি
এই কবিতাটি ছিলো যে নিঝুম ঘুমের পুরীতে অলস নিদ্রাছিলো কারো চোখে সুদূর স্বপ্ন রোমাঞ্চকর গাঢ় শিহরন,দূর নীলিমায় এই কবিতাটি ছিলো ভাসমান উদাসীন মেঘস্বর্ণচাঁপার বুকে থরো
এই কবিতাটি ছিলো যে নিঝুম ঘুমের পুরীতে অলস নিদ্রাছিলো কারো চোখে সুদূর স্বপ্ন রোমাঞ্চকর গাঢ় শিহরন,দূর নীলিমায় এই কবিতাটি ছিলো ভাসমান উদাসীন মেঘস্বর্ণচাঁপার বুকে থরো
কী করে বলো না করি অস্বীকার এখনো আমার কাছেএকটি নারীর মুখই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দর্শনীয়,তার চেয়ে অধিক সুন্দর কিছু অদ্যাবধি দেখিনি কোথাও;অন্তত আমার কাছে নারীর মুখের
কতোদিন কোথাও ফোটে না ফুল, দেখি শুধুঅস্ত্রের উল্লাসদেখি মার্চপাস্ট, লেফট রাইট, কুচকাওয়াজ ;স্বর্ণচাঁপার বদলে দেখি মাথা উঁচু করে আছে হেলমেটফুলের কুঁড়ির কোনো চিহ্ন নেই, গাছের
আজ যেখানেই কান পাতি শুনি সজকলে চাপা কণ্ঠস্বর,খুব ধীরে কানের নিকটে মুখ এনেকী যেন বলতে চায় এই ফাল্গুনের বিষণ্ন গোলাপ,বসন্তের প্রথম কোকিলমনে হয় কী যেন
আমার কোনোদিন সমুদ্রদর্শন হয়নি, পাহাড় দেখাও নাকেন যে সমুদ্র বা পাহাড় আমাকে এন বিমুখ করেছেসমুদ্র আমাকে দর্শন দেননি কখনোপাহাড় আমাকে সান্নিধ্য,বাল্টিকের তীরে দাঁড়িয়ে আমি যেমন
ভালোবাসা আমি তোমাকে নিয়েইসবচেয়ে বেশি বিব্রত আজতেমাকে নিয়েই এমন আহতএতো অপরাধী, এতো অসহায়!তোমাকে নিয়েই পালিয়ে বেড়াইতোমাকে নিয়েই ব্যাকুল ফেরারী।ভালোবাসা তুমি ফুল হলে তারফুলদানি পেতে অভাব
চৈত্রের এই শেষ রজনীতেতোমাকে পাঠাই বিব্রত খাম,লিখেছি কি তাতে ঠিক মনে নেইতবু এই চিঠি, এই উপহার!তোমার খামে কি আদৌ লিখেছিস্বপ্নের মতো স্মরণীয় নাম?তাও মনে নেই;
যে-কোনো বিষয় নিয়েই হয়তো এই কবিতাটি লেখা যেতোপিকনিক, মর্নিং স্কুলের মিসট্রেসকিংবা স্বর্নচাঁপার কাহিনী; হয়তো পাখির প্রসঙ্গগত কয়েকদিন ধরে টেলিফোনে তোমার কথা না শুনতেপেয়ে জমে থাকা
বেশিদিন থাকবো না আর চলে যাবো গোলাপেরগাঢ় গিঁট খুলেচলে যাবো পিঁড়ির গহন স্নেহ ভেঙে, চলে যাবে,অনেক বসেছিবেশি তো থাকবো না আর চলে যাবো মেঘ রেখে,মমতাও
লেনিন, এই নাম উচ্চারিত হলেরোমাঞ্চিত হয়ে ওঠে প্রাণ;দেখি ভলগা থেকে নেমে আসে মানবিক উৎসধারাআমাদের বঙ্গোপসাগরেআমাদের পদ্মা-মেঘনা ছেয়ে যায় প্রাণের বন্যায়;লেনিন নামের অর্থ আমি তাই করি
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog