ভালো আছি বলি কিন্তু ভালো নেই

ভালো আছি বলি কিন্তু ভালো নেই চেয়ে দেখোআমার ভিতরে কোথঅয় নেমেছে ধস,কোথায় নেমেছে ঘোর কালো!দেখো আমার ভেতরে এখন প্রবল গ্রীষ্মকালখরা আর খাদ্যের অভাব; ভালো করে

বিস্তারিত

মানুষের বুকে এতো দীর্ঘশ্বাস

কেউ জানে না একেকটি মানুষ বুকের মধ্যে কী গভীর দীর্ঘশ্বাসনিয়ে বেড়ায়-কোনো বিষণ্ন ক্যাসেটেও এতো বেদনার সংগ্রহ নেই আর,এই বুকের মধ্যে দীর্ঘশ্বাসের পর দীর্ঘশ্বাস যেন একখানিঅন্তহীন

বিস্তারিত

কোনো তরুণ প্রেমিকের প্রতি

তরুণ প্রেমিক তুমি তো জানো না তোমার উতল আলুথালূ প্রেমএকদিন ছিলো আমারই আকাশে উদাসীন মেঘ, মাতাল নৌকা-সারারাত বেয়ে জ্যোৎস্নার খেয়া ভোরবেলা হাতে ব্যর্থ কুয়াশাতুমি তো

বিস্তারিত

তোমার জন্য

তোমার জন্য জয় করেছি একটি যুদ্ধএকটি দেশের স্বাধীনতা,তোমার হাসি, তোমার মুখের শব্দগুলিসেই নিরালা দূর বিদেশে আমার ছিলোসঙ্গী এমন,অস্ত্র কিংবা যুদ্ধজাহাজ ছিলো না তো সেসব কিছুইছিলো

বিস্তারিত

ফিরে আসা গ্রাম

এই গ্রাম প্রতিরাতে হাতছানি দিয়ে ডাকতো আমাকেউৎকন্ঠিতা প্রেমিকার মতোকানে কানে শোনাতো কাহিনী,যুদ্ধক্ষেত্রে মধ্যরাতে কখনো হঠাৎস্বদেশ-স্বজনহারা কান্নায় ভরে যেতো বুকআমার দুঃখিনী গ্রাম কিছুতেই তোমাকে পারিনি ভুলে

বিস্তারিত

আমার সোনার বাংলা

আমি যে দেশকে দেখি সে কি এই স্বপ্নভূমি থেকে জেগে ওঠাবহুদূরব্যাপী কল্লোলিত, সে কি রূপসনাতনসে কি আমার সোনার বাংলা, কোনো রূপকথা নয়!তার চক্ষুদ্বয় তবে এমন

বিস্তারিত

তোমার বাড়ি

এই বাড়িটি একলা বাড়ি কাঁপছে এখন চোখের জলেভালোবাসার এই বাড়িতে তুমিও নেই, তারাও নেই!এই বাড়িটি সন্ধ্যা-সকাল তাকিয়ে আছে নগ্ন দুচোখএকলা বাড়ি ধূসর বাড়ি তোমার স্মৃতি

বিস্তারিত

একুশের কবিতা

ভিতরমহলে খুব চুনকাম, কৃষ্ণচূড়াএই তো ফোটার আয়োজনবাড়িঘর কী রকম যেন তাকে হলুদ অভ্যাসবশে চিনি,হাওয়া একে তোলপাড় করে বলে, একুশের ঋতু!ধীরে ধীরে সন্ধ্যার সময় সমস্ত রঙ

বিস্তারিত

তোমরা কি জানো

তোমরা কি জানো এ শহর কেন হঠাৎ এমনমৌনমিছিলে হয়ে ওঠে ভারী, অশ্রুসিক্ত? কেনবয়ে যায় শোকার্ত মেঘ আর থোকা থোকা শিশিরবিন্দুপথে কেন এতো কৃষ্ণচূড়ার গাঢ় সমাবেশ;

বিস্তারিত

স্বপ্নপ্রোথিত সত্তা

আমার স্বপ্নকে কারা রাত্রিদিন এমন পাহারা দিয়ে ফেরেমনে হচ্ছে এই একগুচ্ছ স্বপ্নকে নিয়ে তারা অধিক চিন্তিতশলা-পরামর্শে ব্যস্ত, গেরিলারও চেয়ে বেশি ভীতআমার স্বপ্নকে নিয়ে তারা;মাইনেরও চেয়ে

বিস্তারিত