নববর্ষের চিঠি
এবারও তেমনি শেষ চৈত্রের খর নিঃশ্বাসেনতুন বছর আসবে হয়তো; কিন্তু তুমি কি জানোএদেশে কখন আসবে নতুন দিন? কখন উদ্দীপনাঅবসাদ আর ব্যর্থতাকেই দেবে নিদারুণ হানাছড়াবে হৃদয়ে
এবারও তেমনি শেষ চৈত্রের খর নিঃশ্বাসেনতুন বছর আসবে হয়তো; কিন্তু তুমি কি জানোএদেশে কখন আসবে নতুন দিন? কখন উদ্দীপনাঅবসাদ আর ব্যর্থতাকেই দেবে নিদারুণ হানাছড়াবে হৃদয়ে
সব তো আমারই স্বপ্ন মাথার উপরে এই যে কখনোউঠে আসে মরমী আকাশ কিংবা স্মৃতি ভারাতুর চাঁদমেলে ধরে রূপকাহিনীর গাঢ় পাতা। কোনো এককিশোর রাখাল কী করে
জাহাজ যেমন ডাকে সেইভাবে ডাক দিও তুমিতোমার ছাড়ার আগে একবার হর্নখানি দিওসকল বন্ধন ছিঁড়ে তোমার বন্ধন তুলে নেবো,একটি সামান্য ব্যাগ কিংবা তাও ফেলে দিতে পারি।
যদি এক পঙ্ক্তি কবিতা না লিখি আমি আজতাহলে হযতো কাল অমন সুন্দর রাঙা ভোর এসেদাঁড়াবে না তোমাদের ঘরেফুটবে না অভিমানে কোনো জুঁই, শিউলি, বকুল! হয়তো
মেঘ নই আমি জলধারা দেবো তোমাদের তৃষিত মানুষ!আমি অসীম নীলিমা নই ছাড়া দেবো,মায়অ দেবো ব্যথিত মানুষ, এমন হৃদয়ভরাভালোবাসা কই!তোমাদের কারো ঘরে কোনো ফুল ফোটাবো কখনোহাসিরাশি
এতো ধ্বনিময় কণ্ঠ আমি কখনো শুনিনি কোনোপাখিদের কাছেকোনো নদী এমন মধুর কলগীতিশোনায়নি আর কোনোদিনযা এই শুনেছি আমি চিরদিন মানুষের মুখেএতো প্রিয় সম্বোধন, এমন হৃদয়বোধ্য ভাষাকেবল
বলেছিলে চিঠি দিও, চিঠি দিই নাইতোমাকে না-লেখা চিঠি প্রত্যহ পাঠাই!তুমি কি পাও না তবে, বোঝো না কি ভাষা,লেখা কি অস্পষ্ট খুবই! কিন্তু ভালোবাসাতাও কি যায়
কখন যে এভাবে তোমার ব্যাকুলতাগুলি ভরে দিয়োছোআমার বাক্সেহয়তো মনের ভুলে শীতবস্ত্রের সাথে এ-কনকচাঁপার ঝাড়আর সঙ্গোপনে চোখের জলের এই উদাত্ত ফোয়ারা!বার্লিনে তোমার এই ব্যাকুলতাগুলি দিয়ে আমি
কোনো কোনো মুহূর্তে এই মৃত্যুও হয়ে ওঠে জীবনের গূঢ় অভিষেকআরো গভীর বাঙ্ময়। সে-মৃত্যু প্রার্থনা করি, সে-মৃত্যু প্রণাম করে যায়একদিকে তুমি, একদিকে মৃত্যুর মৌনতা যেন বৃক্ষের
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog