কতোটা সতর্ক হয়ে জল হয় মেঘের শরীর, ক নিয়মেমুয়ে থাকে পাখিঘাসে, পুরু বাতাসের ভাঁজে, খোলা পুষ্প পল্লবের ছাদেএই তো পাখিরা বেশ, হিংসা দ্বেষ কিছু নেই
আমারও শীতকাল আসে, আসে হুহু প্রকৃতির জ্বরকুয়াশায় ভেজে জমি, ভিজে ওঠে তোমার কবরমনে হয় এই শীতে আমিও বিদেশী!আমারও সঞ্চয় ছিলো লাল মোজা, পশমের টুপিছিলো কাশ্মীরি
ইচ্ছা করে, কেন ইচ্ছা করে, একদিন উড়ে যাবোফিরেও আসবো নাশুধু পড়ে রবে খাঁচা, খাঁচাতেই সম্ভব করেছি বাঁচাএই উড়ে যাওয়া, আর ফিরেও আসবো না।তবু ইচ্ছা করে,
আমার ভেতর কেমন পাতা থর থর হাওয়া কাঁপছেকাউকে বলবো না আমি কিছুকে বলবো নাআমার এখন ইচ্ছে জাগছে! নিজের দিকে চাইলে আমি ধরতে পারি এই রহস্যকোথাও
এই সারাদিন আমি গাছের মধ্যে ডুবে ছিলাম, সারাদিনআমি নারীর মধ্যে ডুবেছিলাম, তোমার মধ্যেএই সারাদিন আমার শরীর ফেটে বেরিয়েছে ঘ্রাণ,ঘাসের মতোই গভীর ও কোমল ভালোবাসাআমার সারা
আমরা কেউ সঙ্ঘসেবকের দলে নেই, আমরা চিরদহনদাহনপ্রিয়মানুষের জন্ম সহোদরআমরা কবি ও কামুক আমরা পূণ্যাত্মা সন্ন্যাসীআমরা সামাজিক স্বাস্ত্যসুখবঞ্চিত স্বাধীনআমাদের হাতে শুদ্ধ-সংরক্ত গোলাপ তবু কাঁটার আঘাতেক্ষত আহত
মুখ দখে তোমাকে চিনেছি, দুঃখে নয়আনন্দে আমার মৃত্যু হবে আমি সন্দেহ করি নাতবু স্লেহে জেনেছি তুমি সেই প্রিয় মৃত্যুসখাতুমি সেই প্রিয়তম মানুষের প্রত্যাশিত মুখশীতগ্রীষ্মে তোমাকেই
অষ্টপ্রহর নদীর ধারা গভরি বহনীয়বুকের মধ্যে সামান্য জল সহজ স্মরণীয়;সাগর জোড়া নোনা জলের গহীন গহনতাবুকের ভিতর শান্ত জলে অশান্ত তীব্রতা।চোখের ধারা বুকের ধারা উষ্ণ অধীর
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog