তাকেই বলি প্রকৃতি

ভিতর থেকে হয়ে উঠছে তাকেই বলি প্রকৃতি। বাইরে মেঘবৃষ্টিঝড়ো হাওয়াকেমন শিশুর হাতে কাদামাটিতে গড়া, তার কোনো গ্রহস্ত চেহারা সেইতারই এক ডাকে কেন আমি এমন ঘর

বিস্তারিত

যেতে যেতে অরণ্যকে বলি

এমনও অরণ্য তাকে উদ্দাম মর্মর মূর্তি ধরে নেয়া যায়,বাতাসের অতি দম্ভ বৃক্ষের সমান উঁচু মেঘ, আরো উঁচুঅরণ্যের সীমাএও শুধু অরণ্যেরই শোভা পায় এতো উঁচু এমন

বিস্তারিত

আমার হাতে দুঃখ পাচ্ছো

আমার কাউকে আঘাত দেওয়ার কথা ছিলো না, আঘাত দেওয়ারকথা ছিলো না, কথা ছিলো না, কথা ছিলো না,তোমাকে আমার আঘাত দেওয়ার কথা ছিলো না, গোলাপ তোমারখুনখারাবি,

বিস্তারিত

স্বভাব

আমি কি কিছুর মতো? কারো মতো? কোনোসদৃশ বস্তুর মতো? যেআমাকে মেলাবে,সোনালি ঝর্নার সাথে, সবুজ বৃক্ষের সাতে,নদী বা তারার সাথে? আমি কি কিছুর মতো? শিশু ও

বিস্তারিত

মানুষ

মানুষ মানে জন্মতারিখ, কোষ্ঠীখাতাবাসস্থান ও বধ্যভূমিকাগজপত্র, ঘরগেরস্ত, পিতামাতা, নামঠিকানাঅন্যবিধ জাতিগোষ্ঠী আত্মীয়তাস্ত্রী-পরিবার, নুনমরিচ ও খাদ্যদ্রব্যমানুষ মানেই জীবনযাপনএই একাকী বন্দীদশা!মানুষ মানে হাতের পিঠে ওলটপালটহিজিবিজি, লিখনএসব ভাগ্যলেখা,নদীর জোয়ার,

বিস্তারিত

মাটি দে, মমতা দে

তুলে যে এখান থেকে তরতাজা এই কালো ঘ্রানআমি নিয়ে যাবোউঠোনে রোপণ করা পুঁইশাক, সবজির গাঢ় সজীবতাতুলে দে একটু মাটি, একটু মমতা দে, মমতা তুলে দেআমি

বিস্তারিত

আমি কেন এ-রকম

আমি যেন কী রকম সব কিছুতেই কী রকমএকটা ছেলেমানুষি-মানুষি ভাবএকটা দুঃখিত দুঃখিত ভাব, লজ্জা লজ্জা ভাব,বুকের ভিতর আমি ধরে রাখি দুঃখের শিশিরপিতৃপুরুষের সেই বাক্যহীন অন্ধকার,সেই

বিস্তারিত

বদলবাড়ি চেনা যায় না

তোমার কালো চোখের মতোপাল্টে গেছে বসতবাড়িউদোম চড়া, গাছগাছালি বট-বিরিক্ষওলটপালট সারা বাড়ি একলা এখন,বাড়ির মধ্যে কালো গাড়ি, এলোমেলোভাঙা চাঁদ ও শূলন্য তাঁবু,শূনো বাড়ির চিহ্ন, চিহ্ন।তোমার কালো

বিস্তারিত

কতো নতজানু হবো, দাঁতে ছোঁবো মাটি

কতো নতজানু হবো, কতো দাঁতে ছোঁবো মাটিএই শিরদাঁড়া হাঁটু ভেঙেকতোবার হবো ন্যুব্জ আধোমুখ?আজীবন সেজদার ভঙ্গিতে কতো আর নোয়াবো শরীর?এক রকম স্পষ্ট দাঁড়ানো দৃঢ়ভাবকারো কারো সহজাত

বিস্তারিত

তাই মিথ্যা বলা

তুমি ভয় পাবে, ভয়ে ভীত হবে বলে কোনোদিনমৃত্যুর বর্ণনা করি নাই,কোনো দুঃখের প্রসঙ্গ উত্থাপনকরি নাই, মুতি ম্লান হবে, তুমি অশ্রুসিক্ত হবেতাই কোন রাজার দুলাল গেলো

বিস্তারিত