তোমাকে ছাড়া
তুমি যখন আমার কাছে ছিলেতখন গাছের কাছে গেলে আমার ভীষণ আনন্দ বোধ হতোলতাপাতার উৎসাহ দেখে আমি সারাদিন তার কাছে ঘুরে বেড়াতামকোনো কোনো দেন পাখিদেরবাষভূমিতে আমার
তুমি যখন আমার কাছে ছিলেতখন গাছের কাছে গেলে আমার ভীষণ আনন্দ বোধ হতোলতাপাতার উৎসাহ দেখে আমি সারাদিন তার কাছে ঘুরে বেড়াতামকোনো কোনো দেন পাখিদেরবাষভূমিতে আমার
দূতাবাসে উড়ছে পতাকাঅর্থাৎ স্বাধীন আমরা এ-কথা মানতেইহয়, রাষ্ট্রীয় সনদ আছে দেশেদেশে আমরা স্বাধীন;তবু মনে হয় এ যুগে কোথাও কোনো স্বাধীনতানেই, বরং এ যুগে মানুষ যেনপোষমানা
নখরে জ্বালিয়ে রাখি লক্ষ্যের দীপ্র ধনুকযেন এক শব্দের নিষাদ এই নির্মল নিসর্গে বসে কাঁদি, তবুসেই নির্মম শব্দাবলী ছিঁড়ে আনতে পারি না বলেসুতীক্ষ্ণ অনুযোগ হতে অব্যাহতি
তার বুকে আছে স্বর্ণচাঁপার গাছ, আকাশের মতো বড়ো নীলপোষ্টাপিসসব যোগাযোগ, নিরুদ্দেশ মানুষের তারবার্তা, জরুরী খবরবৃষ্টির কালো জামা পরে সেখানে লুকিয়ে থাকে তাড়িত ফেরারীতার বুকে ট্যুরিষ্টের
আজীবন শুধু হাঁটছি আমিনারী, তার দেয়া সংসারেরব্যস্ততা নিয়ে দ্রত দৌড়চ্ছি কেবলসে আমার ইন্দ্রিয়ে জন্ম দিয়ে গেছে কাজভালোবাসা, প্রলোভন মানবিক ব্যবহারনারী তার দিয়ে গেছে দুচোখের গুপ্ত
মা আমাকে বলেছিলো- যেখানেই থাকিস তুইবাড়ি আসবি পয়লা বোশেখে। পয়লা বোশেখ বড়ো ভালো দিনএ দিন ঘরের ছেলে বাইরে থাকতে নেই কভু, বছরের এই একটি দিনেআমি
তোমার মতন কোনো গাছ নেই স্বয়ংসম্পূর্ণএই উদার বৃক্ষমূলে নতজানু নবীন তাপসক্ষমায় স্নেহে ও প্রেমে কখনো হিংসায়তুমি বাঁধো বিপুল মজ্জায় তাকেরক্তে রক্তে তুমি তার লাল তরু,
আমি একটি বন্ধু খুঁজছিলাম যে আমারপিতৃশোক ভাগ করে নেবে, নেবেআমার ফুসফূস থেকে দুষিত বাতাস ; বেড়ে গেলে শহরময় শীতের প্রকোপতার মুখ মনে হবে সবুজ চয়ের
শুনুন রবীন্দ্রনাথ এ যুগে ভীষণ দায় বাঁচা, বড়ো অসহায়আমারা কজন যাবা আপনার শান্তিনিকেতনে প্রত্যহ প্রার্থনাকরি হে ঈশ্বর, আমাদেরশান্তি দাও, প্রত্যহ প্রার্থনা করি মঠে ও গির্জায়আমাদের
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog