কেবল উন্মাদই পারে
আমি যে এখন কী করি না করি আর কখন কোথায় যাইকিছুই জানি নাহয়তোবা পিপাসায় মুখে দেই কঠিন পাথর,জল দেখে আমার দুচোখে শুধু রক্তস্রোতের দৃশ্য ভাসেতাই
আমি যে এখন কী করি না করি আর কখন কোথায় যাইকিছুই জানি নাহয়তোবা পিপাসায় মুখে দেই কঠিন পাথর,জল দেখে আমার দুচোখে শুধু রক্তস্রোতের দৃশ্য ভাসেতাই
এতোটুকু স্নেহ আর মমতার জন্য আমি কতোবারনিঃস্ব কাঙালের মতো সবুজ বৃক্ষের কাছে যাই-হে বৃক্ষ আমাকে তুমি এতোটুকু ভালোবাসা দাও,বনস্পতি আমাকে দেখিয়ে দেয় তোমার দুচোখবলে, ওই
কেবল স্বপ্নের মধ্যে যাতে পারি আমিতোমার নিকটে-তা ছাড়া তোমার কাছে পৌঁছবার আর কোনো পথ খোলা নেই;সম্ভাব্য সকল রাস্তা অবরুদ্ধ, নৌ বাবিমানপথেসতত প্রহরাস্থলপথ জুড়ে অনেক আগেই
এই দুঃখীর জীবনে তুমি ফোটাওসামান্য দুটি ফুল,না হোক গোলাপ-চাঁপা নিরিবিলিদুইটি বকুল;আমার তাতেই হবে চাইবো নাঅনন্ত আকাশ,কেবল শিশির দিলে একফোঁটাভূলি দীর্ঘশ্বাস।এই দুঃখীর জীবনে তুমি দিওএতোটুকু ছায়া,জলভরা
মানুষ কিছুই শিখলো না আর, কিছুই শিখলো নাএইসব বয়স্ক বালক-শুধু আদিবিদ্যা তীর ছোঁড়া ছাড়া তার কিচুই হলো না শেখা,কেবল শিকার আর রক্তপাত ব্যতীত বিশেষ কোনো
এ কী বৈরী যুগে এসে দাঁড়ালাম আমরা সকলেসূর্য নিয়ত ঢাকা চিররাহৃগ্রাসে, মানবিকপ্রশান্ত বাতাস এখন বয় না কোনোখানেশুধু সর্বত্র বেড়ায় নেচে কবন্ধ-দানব;তাদের কদর্য বেড়ায় নেচে কবন্ধ-দানব;তাদের
এক কোটি বছর হয় তোকাকে দেখি নাএকবার তোমাকে দেখতে পাবোএই নিশ্চয়তাটুকু পেলে-বিদ্যাসাগরের মতো আমিও সাঁতরে পার হবো ভরা দামোদরকয়েক হাজার বার পাড়ি দেবো ইংলিশ চ্যানেল;তোমাকে
একদিন ভোরবেলা যদি সন্ধ্যা হয়কিংবা মধ্যরাতে ওঠে হঠাৎ ভোরের সূর্যএই পুরনো মলিন চাঁদ তরল সোনার মতোগলে গলে পড়ে,জলাশয়ে পাখিরা সাঁতার কাটেজলের রুপালি মাছ সহসা হাঁটতে
ভুলে-ভরা আমার জীবন, প্রতিটি পৃষ্ঠায় তারঅসংখ্য বানান ভুলএলোমেলো যতিচিহ্ন; কোথাও পড়েনি ঠিকশুদ্ধ অনুচ্ছেদআমার জীবন সেই ভুলে-ভরা বই, প্রুফ দেখহয়নি কখনো।প্রতিটি পাতায় তাই রাশি রাশি ভুল,
আমাকে এখন শিষ্টাচার শিক্ষা দেয়শহরের বখাটে মাস্তান,আধুনিকতার পাঠ নিতে হয় প্রস্তরযুগেরসব মানুষের কাছে;মাতালের কাছে প্রত্যহ শুনতে হয় সংযমের কথাবধ্যভূমির জল্লাদেরা মানবিক মূল্যবোধ সতত শেখায়,জলদস্যুদের কাছে
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog