আমার প্রেমিকা
আমার প্রেমিকা- নাম তার খুব ছোটো দুইটি অক্ষরেনদী বা ফুলের নামে হতে পারেএই দ্বিমাত্রিক নাম,হতে পারে পাখি, বৃক্ষ, উদ্ভিদের নামেকিন্তু তেমন কিছুই নয়, এই মৃদু
আমার প্রেমিকা- নাম তার খুব ছোটো দুইটি অক্ষরেনদী বা ফুলের নামে হতে পারেএই দ্বিমাত্রিক নাম,হতে পারে পাখি, বৃক্ষ, উদ্ভিদের নামেকিন্তু তেমন কিছুই নয়, এই মৃদু
কবিতার মদে ডুবে যেতে চাই, নিমজ্জিতহয়ে যেতে চাই-আপাদমস্তক ডুবে যেতে চাই এই ঘোরে,টাইটানিকের চেয়েও বেশি অতল গভীরেপুরেপুরি নিমজ্জিত হয়ে যেতে চাই-গলূই-মাস্তুলসহ একেবারে ডুবে যেতে চাই
এই কবিতার খাতা ছাড়া আর কার কাছে এমন অঝোরেঅশ্রুপাত করা যায়কার কাছে প্রাণখুলে লেখা যায় চিঠি,বলা যায় সব দুঃখ, পাপ, অধঃপতনের কথাআর কার বুকে আঁকা
সেদিন সন্ধ্যার কিছু আগে হঠাৎ উঠলো বেজেআমার নিথর টেলিফোনরিসিভার তুলে শুনলাম খুব মৃদু স্বরে যখন একটি ছোটো নাম…মনে হলো এই সূর্যাস্ত উঠলো ভরে ফের ভোরের
তোমাকে দেখার পর থেকে কীরকম গণ্ডগোলহয়ে গেলো সমস্ত জীবন,ওলটপালট হয়ে গেলো সবকিছু-সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেললাম বুঝ খেই, চিন্তাসূত্র হয়ে গেলোবিশৃঙ্খল, এলোমেলো;কেবল তোমারই মুখ দেখি বৃক্ষপত্রে, জ্যোতিস্কমণ্ডলেউচ্ছল
তোমরা আঘাত দেবে আমি গোলাপ ফোটাবোতোমরা দুঃখ দেবে আমি কেন দুঃখে গানও গাইবো না?যতোই আগাত দেবে ততোই ফোটাবো আমি ফুলততোই দুহাতে আমি মাখবো এই আকাশের
তোমার দেখা না পেলে একটিও কবিতা হবে নাদুই চোখ কোথাও পাবে না খুঁজে একটি উপমা,কবিতার পান্ডুলিপি হবে দগ্ধ রুক্ষ মরুময়তোমার দেখা না পেলে কাটবে না
ভীষণ তুষার-ঝড় বয়ে যায় পৃথিবীর মানচিত্রে আজএই শতকের শেষে নামে শৈত্য, হিমপ্রবাহ এখানেএশিয়অ ও ইওরোপ কাঁপে শীতে, বৃক্ষপত্র ঝরে যায়ইতিহাস থেকে টুপটাপ খরেস পড়ে পাতা;এই
এই মূঢ় মানুষেরা জানে না কিছুই, জানে না কখন তারাকাকে ভালোবাসে, কাকে করে প্রত্যাখ্যান,না বুঝেই কাকে বা পরায় মালা,কাকে ছুঁড়ে ফেলে।এই মূঢ় মানুষেরা বোঝেনা কিছুই,মূর্তি
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog