শিশিরভেজা শুকনো খর
শিশিরভেজা শুকনো খর শিকড়বাকড় টানছেমিছুবাড়ির জনলা দোর ভিতের দিকে টানছেপ্রশাখাছাড় হৃদয় আজ মূলের দিকে টানছে ভাল ছিলুম জীর্ণ দিন আলোর ছিল তৃষ্ণাশ্বেতবিধুর পাথর কুঁদে গড়েছিলুম
শিশিরভেজা শুকনো খর শিকড়বাকড় টানছেমিছুবাড়ির জনলা দোর ভিতের দিকে টানছেপ্রশাখাছাড় হৃদয় আজ মূলের দিকে টানছে ভাল ছিলুম জীর্ণ দিন আলোর ছিল তৃষ্ণাশ্বেতবিধুর পাথর কুঁদে গড়েছিলুম
মনে পড়ে স্টেশন ভাসিয়ে বৃষ্টি রাজপথ ধ’রে ক্রমাগতসাইকেল ঘন্টির মতো চলে গেছে, পথিক সাবধান…শুধু স্বেচ্ছাচারী আমি, হাওয়া আর ভিক্ষুকের ঝুলিযেতে-যেতে ফিরে চায়, কুড়োতে-কুড়োতে দেয় ফেলেযেন
তুচ্ছ এইসব–এই জানালা কপাট গোরস্থানতুচ্ছ, তুচ্ছ এইসব, ভালোবাসা, ভালো-মন্দে বাসাতুচ্ছ, তুচ্ছ, এইসব জানালা কপাট গোরস্থান… তারপর, কে আছো মন্দিরে?মন্দিরে ভিতে কি ফড়িং?ভালোবাসা মানে এক হিমঅন্ধকার
বার বার নষ্ট হয়ে যাইপ্রভু, তুমি আমাকে পবিত্রকরো, যাতে লোকে খাঁচাটাইকেনে, প্রভু নষ্ট হয়ে যাইবার বার নষ্ট হয়ে যাইএকবার আমাকে পবিত্রকরো প্রভু, যদি বাঁচাটাইমুখ্য, প্রভু,
ছোট্ট হয়েই আছেআমার, না হয় তোমার, না হয় তাহার বুকের কাছেদুঃখ নিবিড় একটি ফোঁটায় – দুঃখ চোখের জলেদুঃখ থাকে ভিখারিনীর একমুঠি সম্বলে।ছোট্ট হয়েই আছেএকের, না
বছর-বিয়োনী মেঘ বৃষ্টি দেয়, বজ্রপাত দেয়–ডোবা’র রহস্য বাড়ে, পদ্মপাতা দীঘিতে তছনছ।শিকড়, কেঁচোর মত, জীবনের অনুগ্রহ পায়,পায় না মাথায় ছাতা, এত হাতা ভাতের মানুষও! মানুষ বারুদ
ওই বাড়ি, শিরীষের পাতায় আহত…এ-সত্য মৃত্যুর হিম ছোঁয়া দিয়ে তাকেব’লে যাবে, আজই নয়, কিন্তু কাল তোরমসৃণ চূড়াটি ভাঙবো, পলেস্তরা খশাবো পীযূষেভাঙবো, ভেঙে টুকরো করবো ইট
বেজে ওঠে দূর টেলিফোনেকাঁ টা তা রওদিকে যেও না তুমি আর ওদিকে যেও না তুমি আর।আছো তুমি ভালো!দুইটি বিড়াল শাদা-কালোআছে দুই হাতেকথা হবে তোমাতে-আমাতে।সে-কথা কি
এখন সন্ন্যাসী দুইজন–একজন আমি আর অন্যজন আমার পিতারমমতাবিহীন চক্ষুমাঝেমধ্যে রাত্রে দেন দেখাযখন একাকী আমি একামাঝেমধ্যে রাত্রে দেন দেখাকেন তাঁর নামত সন্ন্যাসকেন তিনি মাত্র মায়াহীনমনে ভাবিএমন
Copyright © All rights reserved Bangla Kabitar Blog