যে লেখে, সে আমি নয়
কেন যে আমায় দোষী কর !
আমি কি নেকড়ের মতো ক্রুদ্ধ হয়ে ছিড়েছি শৃঙ্খল ?
নদীর কিনারে তার ছেলেবেলা কেটেছিল
সে দেখেছে সংসারের গোপন ফাটল
মাংসল জলের মধ্যে তার আয়না খুঁজেছে, ভেঙেছে ।
আমি তো ইস্কুলে গেছি, বই পড়ে প্রকাশ্য রাস্তায়
একটা চাবুক পেয়ে হয়ে গেছি শুন্যতায়
ঘোড়সওয়ার ।
যে লেখে সে আমি নয়
যে লেখে সে আমি নয়
সে এখন নীরার সংস্রবে আছে পাহাড়-শিখরে
চৌকশ বাক্যের সঙ্গে হাওয়াকেও
হারিয়ে দেয় দুরন্তপণায়
কাঙাল হতেও তার লজ্জা নেই
এবং ধ্বংসের জন্য তার এত উন্মত্ততা
দূতাবাস কর্মীকেও সে খুন করতে ভয় পায়না ।
সে কখনো আমার মতন বসে থাকে
টেবিলে মুখ গুঁজে ?